এএসইউ’র অন্তত ৫০ শিক্ষার্থীর ভিসা বাতিল

Media

যুক্তরাষ্ট্রের অ্যারিজোনা স্টেট ইউনিভার্সিটিতে ভিসা বাতিল করা বিদেশি শিক্ষার্থী সংখ্যা এখন কমপক্ষে ৫০ জন। শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধিত্বকারী একজন আইনজীবী এমনটি জানিয়েছেন।

এর আগে গত সপ্তাহে অ্যারিজোনা লুমিনারিয়ার একটি রিপোর্টে বলা হয়েছে, এএসইউতে ৮জন শিক্ষার্থীর ভিসা বাতিল করা হয়েছে। এই সংখ্যা দ্রুতই বৃদ্ধি পেয়েছে। যেখানে কমপক্ষে তিনজন ছাত্রকে কিছু সময়ের জন্য অভিবাসন আটকে রাখা হয়েছে বলে জানানো হয়।

সিনিয়র অ্যাটর্নি অ্যামি হাচিনসনের মতে, শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধিত্বকারী টাকসন-ভিত্তিক আইন সংস্থা গ্রিন ইভান্স-শ্রোডার। তিনি বলেন, যে ছাত্রদের সাথে তার কথা হয়েছে এবং তারা বিভ্রান্ত।

হাচিনসন বলেন, ‘তারা এখনও মনে করে যে কেউ ভুল করেছে। যে ঘটনাটি ঘটা উচিত ছিল না এবং এটি কেবল একটি ভুল বোঝাবুঝি ছিল।’  তিনি আরও যোগ করেন, ‘তারা সত্যিই, সত্যিই ভয় পাচ্ছে।’

হাচিনসনের মতে, একজন এএসইউ শিক্ষার্থী আটক আছে এবং প্রায় ১০ দিন ধরে তাকে আটক রাখা হয়েছে।

এএসইউর একজন মুখপাত্র ছাত্রদের সংখ্যা নিশ্চিত করতে চাননি। হাচিনসন অ্যারিজোনা লুমিনারিয়াকে বলেন, তিনি অ্যারিজোনা এবং অন্যান্য রাজ্যে কর্মরত অন্যান্য আইনজীবী এবং সংস্থাগুলির উপর ভিত্তি করে সারা দেশে বাতিল হওয়া বিদেশি শিক্ষার্থীর ভিসার সংখ্যা প্রায় ১,০০০ বলে অনুমান করেন।


ইসরায়েলবিরোধী বিক্ষোভ করায় যুক্তরাষ্ট্রে ৫ বাংলাদেশির ভিসা বাতিল

ইসরায়েলের আগ্রাসনের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করা ও ফিলিস্তিনিদের প্রতি সংহতি প্রকাশ করায় ৫ বাংলাদেশিসহ ৪ শতাধিক বিদেশি শিক্ষার্থীর ‘স্টুডেন্ট ভিসা’ বাতিল করেছে যুক্তরাষ্ট্র। এই শিক্ষার্থীরা ফিলিস্তিনের গাজায় ইসরায়েলের হত্যা ও ধ্বংসযজ্ঞের প্রতিবাদে হওয়া আন্দোলনে অংশ নিয়েছিলেন।

গত শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এই তথ্য নিশ্চিত করেন। রুবিও বলেছেন, ভিসা বাতিল হওয়া বিদেশি শিক্ষার্থীদেও বেশির ভাগই ফিলিস্তিনের পক্ষে আন্দোলন করতে গিয়ে সহিংস কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়েন। প্রশাসন, বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোর সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে তাদের শনাক্ত করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

জানা যায়, গত এক সপ্তাহে এই পাঁচ বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর ভিসা বাতিল করা হয়। তাদের মধ্যে দুজন সিলেটের, দুজন ঢাকার এবং একজন বগুড়ার। এই খবর প্রকাশের পর যুক্তরাষ্ট্রে অধ্যয়নরত বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্রে প্রায় ৩০ হাজার বাংলাদেশি শিক্ষার্থী স্টুডেন্ট ভিসা নিয়ে লেখাপড়া করছেন। গত বছর ফিলিস্তিনে ইসরায়েলের গণহত্যার প্রতিবাদে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়োজিত বিক্ষোভে শত শত বাংলাদেশি শিক্ষার্থী অংশ নেন।


ইসরায়েলি বর্বরতার প্রতিবাদে ঢাকার মার্কিন দূতাবাসের সামনে বিক্ষোভ

গাজায় ইসরায়েলি বাহিনীর হামলার প্রতিবাদে এবং ফিলিস্তিনিদের প্রতি সংহতি জানিয়ে ঢাকার মার্কিন দূতাবাসের সামনে বিক্ষোভ সমাবেশ হয়েছে।

সোমবার স্থানীয় সময় বেলা পৌনে ১২টার দিকে প্রগতি সারণিতে মিছিল করে মার্কিন দূতাবাসের সামনে সড়কে অবস্থান নেন বিক্ষোভকারীরা।

এ সময় দূতাবাসের নিরাপত্তায় সেখানে অবস্থান নেয় সেনা ও পুলিশ সদস্যরা। তারা আশেপাশে জড়ো হওয়া মানুষকে তল্লাশি করে। দূতাবাসের সামনে ফুটপাতে বা রাস্তায় কাউকে দাঁড়াতে দেওয়া হচ্ছে না। বিক্ষোভের কারণে প্রগতি সারণিতে যান চলাচল সাময়িক বন্ধ হয়ে যায়।