চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় ১৪৪ ধারা আরও একদিন বাড়লো

Media

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ও আশপাশের এলাকায় জারি করা ১৪৪ ধারার মেয়াদ আরও একদিন বাড়িয়েছে প্রশাসন। রবিবারের সংঘর্ষের প্রেক্ষাপটে নেওয়া এই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, মঙ্গলবার রাত ১২টা পর্যন্ত বহাল থাকবে এই নিষেধাজ্ঞা।

এর আগে রবিবার বিকেলে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে স্থানীয় গ্রামবাসীদের দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের সহ-উপাচার্য অধ্যাপক মো. কামাল উদ্দিনসহ একাধিক শিক্ষার্থী আহত হন।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে রোববার রাতেই ১৪৪ ধারা জারি করে প্রশাসন, যা প্রথমে সোমবার রাত ১২টা পর্যন্ত বলবৎ ছিল।

সংঘর্ষের জেরে বিশ্ববিদ্যালয়ের সব বিভাগের পরীক্ষা স্থগিত করেছে কর্তৃপক্ষ। নিরাপত্তা পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত এ সিদ্ধান্ত বহাল থাকবে বলে জানানো হয়েছে।

 

ডাকসু নির্বাচন স্থগিতের আদেশ স্থগিত

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচন স্থগিত করে হাইকোর্টের দেওয়া আদেশ স্থগিত করে দিয়েছেন আপিল বিভাগের চেম্বার জজ আদালত। ফলে, নির্ধারিত তারিখ অনুযায়ী নির্বাচন আয়োজনে আর কোনো আইনগত বাধা রইল না।

সোমবার দুপুরে হাইকোর্ট এক রিটের শুনানি শেষে নির্বাচন স্থগিতের আদেশ দেন। তবে মাত্র আধা ঘণ্টার ব্যবধানে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের চেম্বার জজ আদালত সেই আদেশ স্থগিত করে দেন।

এর ফলে ভোটগ্রহণসহ সব প্রস্তুতি, প্রচারণা ও নির্বাচনী কার্যক্রম নির্বিঘ্নে চলতে পারবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইনজীবী শিশির মনির তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় জানান, "আমরা আগামীকাল (মঙ্গলবার) দ্রুত সময়ের মধ্যেই সিএমপি (সিভিল মিসলিনিয়াস পিটিশন) আবেদন দাখিল করব। বিষয়টির গুরুত্ব বিবেচনায় আমরা আশা করছি, আগামীকালই আবেদনটির শুনানি ও নিষ্পত্তি হবে।"

তফসিল অনুযায়ী, আগামী ৯ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হবে ডাকসু ও হল সংসদ নির্বাচন।

এবারের নির্বাচনে ডাকসুর ২৮টি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ৪৭১ জন প্রার্থী, যাদের মধ্যে নারী প্রার্থী রয়েছেন ৬২ জন।

এছাড়া ১৮টি হল সংসদের ১৩টি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ১,০৩৫ জন প্রার্থী।

বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নির্বাচন ঘিরে সব প্রস্তুতি প্রায় চূড়ান্ত এবং ভোট শান্তিপূর্ণভাবে আয়োজনের জন্য সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

 

আফগানিস্তানে শক্তিশালী ভূমিকম্পে নিহত ৮০০, আহত সহস্রাধিক

আফগানিস্তানে শক্তিশালী ৬ মাত্রার ভূমিকম্পে অন্তত ৮০০ জন নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে জাতিসংঘের মানবিক সহায়তা বিষয়ক সংস্থা। ভূমিকম্পে দেশটির অন্তত চারটি প্রদেশ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

প্রাথমিক প্রতিবেদনের ভিত্তিতে জাতিসংঘ আরও জানিয়েছে, এ ঘটনায় আহত হয়েছেন প্রায় ২ হাজার মানুষ। আহতদের অনেকেই দুর্গম পাহাড়ি অঞ্চলে অবস্থান করছেন, যেখান থেকে উদ্ধারকর্মীদের পক্ষে পৌঁছানো কঠিন হয়ে পড়েছে। ফলে অনেক এলাকার সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে।

ভূমিকম্পে কমপক্ষে ১২ হাজার মানুষ সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। ক্ষয়ক্ষতির মধ্যে রয়েছে বসতবাড়ি, অবকাঠামো ও জীবিকাভিত্তিক সম্পদ। উদ্ধার তৎপরতা অব্যাহত থাকলেও পাহাড়ি এলাকাগুলোয় ধ্বংসস্তূপে আটকে পড়া মানুষের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে এবং মানবিক সহায়তা পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে।