খালেদা জিয়ার অবস্থা 'অত্যন্ত ক্রিটিক্যাল': আযম খান

Media

বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা গত রাত থেকেই অতিমাত্রায় সংকটাপন্ন। এমনটি দাবি করেছেন, বিএনপির ভাইস–চেয়ারম্যান আহমদ আযম খান।

সোমবার হাসপাতালে থেকে বেরিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, খালেদা জিয়া এখনও ফেরার জন্য লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন।

তার ভাষায়,“ওনি খুবই ‘ডিপ কন্ডিশনে’ আছেন। এর বিস্তারিত ব্যাখ্যা দিতে চাই না। এটুকু বলতে পারি—এটি ভেন্টিলেশনের মতো অবস্থা বা বলা যায় খুব ক্রিটিক্যাল কন্ডিশন।”

তিনি আরও বলেন, “এ মুহূর্তে জাতির কাছে দোয়া চাওয়া ছাড়া আমাদের আর কিছু বলার নেই।”

তবে বিএনপির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, খালেদা জিয়ার চিকিৎসা–সংক্রান্ত যেকোনো তথ্য গণমাধ্যমে উপস্থাপন করবেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য এজেডএম জাহিদ হোসেন।

 

প্লট জালিয়াতি মামলায় হাসিনা-রেহানা-টিউলিপের বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড

রাজধানীর পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পে অনিয়ম করে ১০ কাঠা প্লট বরাদ্দ নেওয়ার মামলায় ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন ঢাকার একটি বিশেষ জজ আদালত।

রায় অনুযায়ী, তার বোন শেখ রেহানাকে সাত বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং মেয়ে টিউলিপ রিজওয়ানা সিদ্দিককে দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

সোমবার ঘোষিত রায়ে দুদকের করা মামলায় শেখ হাসিনা, শেখ রেহানা, টিউলিপ সিদ্দিকসহ মোট ১৭ জনকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়। আসামিদের মধ্যে সাবেক গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদ, গণপূর্ত মন্ত্রণালয়, রাজউক ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ১৪ জন কর্মকর্তা ছিলেন। রাজউক ও গণপূর্ত অধিদপ্তরের দোষী কর্মকর্তাদের প্রত্যেককে পাঁচ বছর কারাদণ্ড এবং এক লাখ টাকা জরিমানার আদেশ দেওয়া হয়েছে।

দুদক জানায়, গত ৫ আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের মুখে দেশত্যাগের পর শেখ হাসিনা ও তার পরিবারের বিরুদ্ধে ৬০ কাঠা জমির ছয়টি প্লট বরাদ্দে অনিয়মের অভিযোগে গত ডিসেম্বর থেকে অনুসন্ধান শুরু করে সংস্থাটি।

চলতি বছরের ১২ জানুয়ারি প্রথম মামলা হয় শেখ হাসিনার মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুলের বিরুদ্ধে। পরদিন শেখ রেহানা ও তার সন্তানদের বিরুদ্ধে আরও দুটি মামলা করে দুদক। এসব মামলায় শেখ রেহানা, টিউলিপ সিদ্দিক, রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিক ও আজমিনা সিদ্দিক রূপন্তীকেও আসামি করা হয়।

১৪ জানুয়ারি দুদক আরেকটি মামলায় শেখ হাসিনা ও সজীব ওয়াজেদ জয়ের নাম অন্তর্ভুক্ত করে।

এ ছাড়া গত সপ্তাহে অন্য একটি মামলায় শেখ হাসিনাকে ২১ বছরের কারাদণ্ড এবং সজীব ওয়াজেদ জয় ও সায়মা ওয়াজেদ পুতুলকে পাঁচ বছর করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

প্লট দুর্নীতির মোট ছয়টি মামলার প্রতিটিতেই শেখ হাসিনা আসামি হিসেবে রয়েছেন, এবং অভিযোগগুলোর বিবরণ প্রায় একই।