সাংবাদিক মুন্নী সাহা ও তার পরিবারের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা

Media

ছবি: সাংবাদিক মুন্নী সাহা

সাংবাদিক মুন্নী সাহা ও তার পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগের তদন্তের অংশ হিসেবে ঢাকার একটি আদালত তাদের বিদেশ গমনে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছেন। মঙ্গলবার ঢাকা মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ মো. জাকির হোসেন গালিব এই আদেশ দেন। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) উপপরিচালক মো. ইয়াছির আরাফাতের আবেদনের ভিত্তিতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

সাংবাদিক মুন্নী সাহা, তার স্বামী মো. কবির হোসেন (এস এম প্রমোশনসের স্বত্বাধিকারী), মা আপেল রানী সাহা, ভাই তপন কুমার সাহা ও ভাই প্রণব কুমার সাহাকে দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।

দুদকের আবেদনে উল্লেখ করা হয়, মুন্নী সাহা ও তার পরিবারের সদস্যরা অবৈধ উপায়ে অর্থ উপার্জন এবং জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জন করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। তাদের ব্যাংক হিসাব পর্যালোচনায় এ ধরনের তথ্য পাওয়া গেছে। তদন্ত চলাকালে তারা দেশত্যাগ করতে পারেন, যা অনুসন্ধান কার্যক্রমে বিঘ্ন ঘটাতে পারে।

প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, মুন্নী সাহা, তার স্বামী ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নামে মোট ৪৬টি ব্যাংক হিসাব খোলা হয়েছে, যার মধ্যে ৩৫টি বর্তমানে সক্রিয়। এই হিসাবগুলোর মাধ্যমে অর্থ পাচারের অভিযোগ রয়েছে, যা সিআইডি তদন্ত করছে।

সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য ৫ শতাংশ হারে 'বিশেষ সুবিধা' প্রদানের প্রজ্ঞাপন জারি করেছে অর্থ মন্ত্রণালয়। এই সুবিধাটি ২০২৩ সালের ১ জুলাই থেকে কার্যকর হয়েছে এবং এটি প্রতিবছর ১ জুলাই তারিখে প্রযোজ্য হবে।

বাংলাদেশের সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য ‘বিশেষ সুবিধার’ প্রজ্ঞাপন জারি

সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য ৫ শতাংশ হারে 'বিশেষ সুবিধা' প্রদানের প্রজ্ঞাপন জারি করেছে অর্থ মন্ত্রণালয়। এই সুবিধাটি ২০২৩ সালের ১ জুলাই থেকে কার্যকর হয়েছে এবং এটি প্রতিবছর ১ জুলাই তারিখে প্রযোজ্য হবে।

চাকরিরত কর্মচারীরা প্রতি বছর ১ জুলাই তারিখে প্রাপ্য মূল বেতনের ওপর ৫ শতাংশ হারে, তবে ন্যূনতম ১,০০০ টাকা, 'বিশেষ সুবিধা' পাবেন।

পেনশনভোগীরা প্রতি বছর ১ জুলাই তারিখে প্রাপ্য নিট পেনশনের ওপর ৫ শতাংশ হারে, তবে ন্যূনতম ৫০০ টাকা, 'বিশেষ সুবিধা' পাবেন।

অবসর-উত্তর ছুটিতে (পিআরএল) থাকা কর্মচারীরা পিআরএল গমনের পূর্বকালীন সর্বশেষ প্রাপ্ত মূল বেতনের ভিত্তিতে উপরিউক্ত হারে 'বিশেষ সুবিধা' পাবেন।

যেসব অবসর গ্রহণকারী কর্মচারী তাদের গ্রস পেনশনের ১০০ শতাংশ অর্থাৎ সম্পূর্ণ অংশ সমর্পণ করে এককালীন আনুতোষিক উত্তোলন করেছেন, তাদের ক্ষেত্রে এ 'বিশেষ সুবিধা' প্রযোজ্য হবে না।

চুক্তিভিত্তিক নিয়োগপ্রাপ্ত কর্মচারীরা জাতীয় বেতনস্কেলে নির্ধারিত কোনো গ্রেডে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের ক্ষেত্রে নির্ধারিত মূল বেতনের ভিত্তিতে এ সুবিধা প্রযোজ্য হবে। তবে শর্ত থাকে যে, এরূপ চুক্তিভিত্তিক নিয়োজিত ব্যক্তি পেনশনভোগী হলে নিট পেনশন অথবা চুক্তিভিত্তিক নিয়োজিত পদের মূল বেতনের ভিত্তিতে যেকোনো এক ক্ষেত্রে এ সুবিধা প্রাপ্য হবেন।

সাময়িক বরখাস্তকৃত কর্মচারীরা সাময়িক বরখাস্ত হওয়ার তারিখের অব্যবহিত পূর্বের মূল বেতনের ৫০ শতাংশের ওপর ৫ শতাংশ হারে এ 'বিশেষ সুবিধা' পাবেন।

তবে বিনা বেতনে ছুটিতে থাকা কর্মচারীরা এই 'বিশেষ সুবিধা' প্রাপ্য হবেন না।

প্রজ্ঞাপনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে, সরকারের রাজস্ব বাজেট থেকে প্রদত্ত অনুদানে পরিচালিত প্রতিষ্ঠান ব্যতীত অন্যান্য স্ব-শাসিত সংস্থা ও রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান এবং ব্যাংক, বিমা ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানসমূহের কর্মচারীদের এই 'বিশেষ সুবিধা' প্রদান বাবদ প্রয়োজনীয় ব্যয় সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানসমূহের নিজস্ব বাজেট থেকে মেটাতে হবে।

এই সিদ্ধান্তের ফলে সরকারি চাকরিজীবী ও পেনশনভোগীরা তাদের বেতন ও পেনশনের সঙ্গে অতিরিক্ত আর্থিক সুবিধা পাবেন, যা তাদের আর্থিক সুরক্ষা ও জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে সহায়ক হবে।