ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলা ধর্মগড় ইউনিয়নের কাউন্সিল বাজার ও চেকপোস্ট বাজারসহ সংলগ্ন এলাকায় স্থানীয় সময় রবিবার ১৪৪ ধারা জারি করেছে উপজেলা প্রশাসন।
জেলার হরিপুর উপজেলায় জমি সংক্রান্ত বিরোধে সংঘর্ষ ও মারামারির জেরে পাশের উপজেলা রাণীশংকৈলে ১৪৪ ধারা জারি করেছে উপজেলা প্রশাসন। সকালে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়। দুদিন আগে সংঘর্ষের ঘটনায় হরিপুর উপজেলায় ১৪৪ ধারা জারি করা হয়।
১৪৪ ধারা জারির আদেশে বলা হয়, যেহেতু উপজেলাধীন ধর্মগড় ইউনিয়নের চেংমারি মৌজার কাউন্সিল বাজার ও ধর্মগড় মৌজার চেকপোস্ট বাজার এবং উভয় সংলগ্ন এলাকায় স্থানীয় জনগণের মধ্যে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে এবং ওই এলাকায় বিবাদ বা হানাহানিসহ যেকোনো সময় জানমালের ক্ষয়ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে, সেহেতু জনস্বার্থে এবং জনগণের জানমাল ও শান্তিশৃঙ্খলা রক্ষায় ওই এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি করা হলো। পুনরায় আদেশ না দেওয়া পর্যন্ত এই ১৪৪ ধারা চলবে। এ সময়ে ওই এলাকায় সব ধরনের আগ্নেয়াস্ত্র বহন ও প্রদর্শন, লাঠি বা দেশীয় অস্ত্র বহন বা প্রদর্শন, যেকোনো ধরনের মাইকিং বা শব্দযন্ত্র ব্যবহার, পাঁচ বা তার অধিক সংখ্যক ব্যক্তির একত্রে চলাফেরা, সভা, সমাবেশ, মিছিল ইত্যাদি নিষিদ্ধ করা হলো।
এ বিষয়ে রাণীশংকৈল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শাফিউল মাজলুবিন বলেন, এ আদেশ অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত এবং পুনরায় আদেশ না দেওয়া পর্যন্ত এই ১৪৪ ধারা বলবৎ থাকবে।
এ বিষয়ে রানীশংকৈল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরশেদুল হক বলেন, ‘আমরা আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তৎপর আছি এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আমাদের পুলিশ কাজ করছে। উপজেলা প্রশাসন ১৪৪ ধারা জারি করেছে, আমরা তা বাস্তবায়ন করছি।’
সোহরাওয়ার্দীর জনসমুদ্রে ফিলিস্তিনের প্রতি সংহতি জানিয়ে শেষ হল ‘মার্চ ফর গাজা’
ফিলিস্তিনের গাজায় ইসরায়েলের বর্বর আগ্রাসনের প্রতিবাদে আয়োজিত ‘মার্চ ফর গাজা’ কর্মসূচি শেষ হয়েছে লাখো মানুষের অংশগ্রহণে এবং ফিলিস্তিনের জনগণের প্রতি সংহতি জানিয়ে। শনিবার (১২ এপ্রিল) রাজধানীর ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে এই গণজমায়েত অনুষ্ঠিত হয়।
প্যালেস্টাইন সলিডারিটি মুভমেন্ট বাংলাদেশের আয়োজনে এই সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের খতিব মুফতি আব্দুল মালেক। দুপুর ২টার আগেই কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে যায় ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যান। শাহবাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা, রমনা পার্ক, দোয়েল চত্বর, গুলিস্তানসহ আশপাশের পুরো এলাকা পরিণত হয় মানুষের ঢলে এক অনন্য ফিলিস্তিনপন্থী আন্দোলনে।
বিকেল ৩টায় বিশ্বখ্যাত কারী আহমদ বিন ইউসুফের কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয় অনুষ্ঠান। শুরুতেই জনতাকে সুশৃঙ্খলভাবে অবস্থান নেয়ার আহ্বান জানান মাওলানা মিজানুর রহমান আজহারী। এ সময় আজহারীর তোলা স্লোগানে গর্জে ওঠে জনসমুদ্র, উড়তে থাকে হাজার হাজার ফিলিস্তিনের পতাকা।
