তুল্লাহোমায় স্কাইডাইভিং বিমান দুর্ঘটনায় হতাহত অনেকে

Media

টেনেসির তুল্লাহোমা শহরের তুল্লাহোমা রিজিওনাল বিমানবন্দরের কাছে রবিবার দুপুরে একটি প্লেন দুর্ঘটনার ঘটনা ঘটে। এতে বেশ কয়েকজন আহত হন। কফি কাউন্টি শেরিফ বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, ৮ জুন দুপুর ১২:৪৫টার দিকে বিমানটি উড্ডয়নের কিছুক্ষণ পরই গাছ ও ভূমিতে আঘাত করে দুর্ঘটনায় পড়ে।

ফেডারেল অ্যাভিয়েশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (FAA) জানায়, দুর্ঘটনাগ্রস্ত বিমানটি একটি ডি হ্যাভিল্যান্ড কানাডা DHC-6 টুইন অটার, যাতে মোট ২০ জন যাত্রী ও ক্রু ছিলেন।

তুল্লাহোমা সিটি কর্তৃপক্ষ জানায়, দুর্ঘটনার পর চারজনকে গুরুতর অবস্থায় হাসপাতালে নেওয়া হয়—তিনজনকে হেলিকপ্টারে করে এবং একজনকে অ্যাম্বুলেন্সে। আরও কয়েকজনকে ঘটনাস্থলেই প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। যদিও টেনেসি হাইওয়ে প্যাট্রোল শুরুতে ছয়জন আহতের কথা জানায়, পরে সিটি অ্যাডমিনিস্ট্রেটর জেসন কুইক নিশ্চিত করেন, তিনজনকে লাইফফ্লাইটে করে ন্যাশভিলের একটি হাসপাতালে এবং চারজনকে স্থানীয় ভ্যান্ডারবিল্ট হার্টন হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

ভ্যান্ডারবিল্ট মেডিকেল সেন্টার সোমবার জানায়, তাদের কাছে চারজন রোগী আছে—তিনজন স্থিতিশীল, একজন গুরুতর অবস্থায়।

ঘটনায় কোনো প্রাণহানি হয়নি, এবং মাটিতে কেউ আহত হয়নি কিংবা স্থাপনাগুলোর কোনো ক্ষতি হয়নি বলে নিশ্চিত করা হয়েছে।

তুল্লাহোমা সিটি সরকার জানায়, বিমানটি একটি স্কাইডাইভিং ফ্লাইট ছিল, তবে যাত্রীরা স্কাইডাইভার ছিলেন কিনা তা এখনও নিশ্চিত নয়।

স্কাইডাইভ টেনেসি কর্তৃপক্ষ জানায়, পাইলটের তাৎক্ষণিক সাড়া হয়তো বড় দুর্ঘটনা এড়াতে সাহায্য করেছে। তারা তদন্তে সহায়তা এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তায় মনোযোগ দিচ্ছে।

লস অ্যাঞ্জেলেসে ২০০০ ন্যাশনাল গার্ড ও ৭০০ মেরিন মোতায়েন

লস অ্যাঞ্জেলেসে অভিবাসন নীতি নিয়ে চলমান প্রতিবাদ-বিক্ষোভের মধ্যে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ২,০০০ ন্যাশনাল গার্ড সদস্য এবং ৭০০ মেরিন মোতায়েনের নির্দেশ দিয়েছেন। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে তিনি ফেডারেল সরকারের হস্তক্ষেপের সংকেত দিয়েছেন।

ক্যালিফোর্নিয়া রাজ্যের গভর্নর গ্যাভিন নিউসাম ট্রাম্পের এই পদক্ষেপের তীব্র বিরোধিতা করেছেন, যা তিনি 'উসকানিমূলক' বলে অভিহিত করেছেন। তিনি দাবি করেছেন, বিক্ষোভ শান্তিপূর্ণ ছিল এবং স্থানীয় প্রশাসন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সক্ষম ছিল।

এই পরিস্থিতিতে, লস অ্যাঞ্জেলেসের রাস্তায় ব্যাপক সেনা মোতায়েন, পুলিশের গাড়িতে আগুন, লুটপাট এবং সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। বিক্ষোভকারীরা ট্রাম্পের অভিবাসন নীতির বিরুদ্ধে এবং অভিবাসীদের অধিকার রক্ষার দাবিতে সোচ্চার হয়েছেন।

এদিকে, আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, বিক্ষোভের মধ্যে সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে, যার মধ্যে একজন অস্ট্রেলীয় সাংবাদিকও রয়েছেন। তিনি লাইভ সম্প্রচারের সময় পুলিশের রবার বুলেটে আহত হন।

এই পরিস্থিতি আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে এবং মানবাধিকার সংস্থাগুলো ইসরায়েলি বাহিনীর কর্মকাণ্ডের নিন্দা জানিয়েছে।