যুক্তরাজ্যের নাগরিকত্বের জন্য রেকর্ডসংখ্যক আমেরিকানের আবেদন

Media

চলতি বছরের মার্চ পর্যন্ত ১২ মাসে যুক্তরাজ্যের নাগরিকত্ব বা স্থায়ী বসবাসের জন্য ৬,৬১৮ জন মার্কিন নাগরিক আবেদন করেছেন। এটি ২০০৪ সালে রেকর্ড রাখা শুরু হওয়ার পর থেকে সর্বোচ্চ সংখ্যা।

এই প্রবণতা মূলত ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদে প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর শুরু হয়। শুধুমাত্র জানুয়ারি থেকে মার্চ ২০২৫ পর্যন্ত ১,৯৩০টি আবেদন জমা পড়ে। যা পূর্ববর্তী ত্রৈমাসিকের তুলনায় ১২ শতাংশ বেশি।

ইমিগ্রেশন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই বৃদ্ধির পেছনে রয়েছে রাজনৈতিক মেরুকরণ, অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা, আর্থিক অনিশ্চয়তা এবং ব্যক্তিগত নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ। বিশেষ করে পেশাজীবী এবং এলজিবিটিকিউ সম্প্রদায়ের সদস্যদের মধ্যে এই উদ্বেগ বেশি দেখা যাচ্ছে।

যুক্তরাজ্যের লেবার সরকার অভিবাসন নিয়ন্ত্রণে কঠোরতা আনতে চায়। প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার বলেছেন, ‘যদি মানুষ ব্রিটেনে নতুন জীবন শুরু করতে চায়, তবে তাদের অবদান রাখতে হবে, আমাদের ভাষা শিখতে হবে এবং সমাজে একীভূত হতে হবে।’

যদিও যুক্তরাজ্য অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা আনছে, তবুও মার্কিন নাগরিকদের মধ্যে ব্রিটিশ নাগরিকত্বের প্রতি আগ্রহ বাড়ছে। বিশেষ করে যারা পারিবারিক সম্পর্ক বা পেশাগত কারণে যুক্তরাজ্যে বসবাস করছেন, তাদের মধ্যে এই প্রবণতা বেশি দেখা যাচ্ছে।

এই প্রবণতা ভবিষ্যতে যুক্তরাজ্যের অভিবাসন নীতিতে কী প্রভাব ফেলবে, তা সময়ই বলে দেবে।

পুতিনকে ‘উন্মাদ’ বললেন ট্রাম্প

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে ‘পুরোপুরি উন্মাদ’ বলে অভিহিত করেছেন। এই মন্তব্যটি আসে ইউক্রেনে রাশিয়ার সর্ববৃহৎ ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর। যেখানে ৩৫৫টি ড্রোন ও ৯টি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়।

ট্রাম্প বলেন, ‘তার (পুতিনের) কিছু হয়েছে। সে পুরোপুরি উন্মাদ হয়ে গেছে। সে অপ্রয়োজনীয়ভাবে অনেক মানুষকে হত্যা করছে।’

তবে ক্রেমলিন ট্রাম্পের এই মন্তব্যকে ‘আবেগগত অতিরিক্ত চাপের’ ফলাফল হিসেবে ব্যাখ্যা করেছে। ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ বলেন, ‘এটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত, যা সবাইকে আবেগগতভাবে প্রভাবিত করছে।’

তিনি আরও বলেন, পুতিন রাশিয়ার নিরাপত্তার জন্য প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন।

এই মন্তব্যের মাধ্যমে ট্রাম্প ও পুতিনের মধ্যে সম্পর্কের টানাপোড়েন স্পষ্ট হয়েছে, বিশেষ করে ইউক্রেন সংকটের প্রেক্ষাপটে।

সাম্প্রতিক রুশ হামলা নিয়ে এর আগে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি ওয়াশিংটনের ‘নীরবতা’ পুতিনকে উৎসাহিত করছে বলে মন্তব্য করেন। মস্কোর ওপর ‘জোরালো চাপ’ বা আরও কঠোর নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।