ডেলাওয়ার অ্যাভিনিউতে অগ্নিকাণ্ড, আহত ৪ জন হাসপাতালে

Media

ডেলাওয়ার অ্যাভিনিউতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় চার জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে বলে জানিয়েছে সিটি কর্তৃপক্ষ।

ইসিএমসি হাসপাতালে ভর্তি হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে আছেন একজন পা ভাঙা রোগী, একজন গর্ভবতী নারী এবং দু’জন শ্বাসকষ্টে আক্রান্ত ব্যক্তি।

শনিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টা ২০ মিনিটের দিকে ডেলাওয়ার অ্যাভিনিউয়ের ২৪৩৯ নম্বর একটি অ্যাপার্টমেন্ট ভবনে আগুন লাগে। দমকলকর্মীরা দ্রুত বাসিন্দাদের সরিয়ে নিতে সহায়তা করেন। এর মধ্যে ১৫ জনকে ঘটনাস্থলেই বিভিন্ন আঘাত ও অসুস্থতার কারণে চিকিৎসা দেওয়া হয়।

এক বিবৃতিতে অস্থায়ী মেয়র ক্রিস স্ক্যানলন বলেন, প্রায় ৮০ জন ফায়ারফাইটার ঘটনাস্থলে কাজ করেছেন। তিনি বলেন, “তাদের নিবেদন ও বীরত্ব জনসেবার সর্বোত্তম উদাহরণ। আমি কৃতজ্ঞ যে এত ঝুঁকির মাঝেও কোনো ফায়ারফাইটার গুরুতর আহত হননি।”

বাফেলো ফায়ার ডিভিশনের চিফ ড্যানিয়েল বসি জানিয়েছেন, ভবনটির কাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতি আনুমানিক ১৫ লাখ থেকে ২০ লাখ ডলার এবং ভেতরের সামগ্রীতে আরও প্রায় ৫ লাখ ডলারের ক্ষতি হয়েছে। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে দমকলকর্মীদের প্রায় তিন ট্যাঙ্ক অক্সিজেন ব্যবহার করতে হয়েছে।

 

জাতিসংঘ অধিবেশনে যোগ দিতে যুক্তরাষ্ট্রে আসছেন প্রধান উপদেষ্টা

বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭৯তম অধিবেশনে যোগ দিতে রবিবার যুক্তরাষ্ট্র আসছেন। তার সরকারি এ সফরে তিনটি রাজনৈতিক দলের চারজন নেতার অংশগ্রহণকে ঘিরে ইতোমধ্যেই নানা প্রশ্ন ও আলোচনা শুরু হয়েছে।

রবিবার এক সংবাদ সম্মেলনে সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন জানান, প্রধান উপদেষ্টা ২ অক্টোবর দেশে ফেরার আগে সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে অংশ নেওয়ার পাশাপাশি বেশ কয়েকটি দ্বিপক্ষীয় বৈঠকেও যোগ দেবেন। এছাড়া আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে সাক্ষাৎকার দেওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে।

রাজনৈতিক নেতাদের সফরসঙ্গী করার বিষয়ে প্রশ্ন উঠেছে—কেন কেবল নির্দিষ্ট তিনটি দলের প্রতিনিধিকেই নেওয়া হচ্ছে এবং তারা সেখানে কী ভূমিকা রাখবেন? এ নিয়ে ভিন্ন ভিন্ন মত রয়েছে।

রাজনৈতিক নেতাদের দাবি, গণঅভ্যুত্থানের পর দেশ পুনর্গঠনে রাজনৈতিক শক্তিগুলো ঐক্যবদ্ধ রয়েছে—আন্তর্জাতিক মহলে এমন বার্তা দেওয়ার লক্ষ্যেই তাঁদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকেও বলা হচ্ছে, ভবিষ্যতে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব যেহেতু রাজনৈতিক নেতৃত্বের হাতেই থাকবে, তাই গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক আলোচনায় তাঁদের সম্পৃক্ত করা হচ্ছে।

তবে সমালোচকরা বলছেন, নির্দিষ্ট তিনটি দলকে বেছে নেওয়ার এই সিদ্ধান্ত নির্বাচনের আগে অন্য দলগুলোর কাছে ভুল বার্তা দিতে পারে।

প্রধান উপদেষ্টার সিনিয়র সহকারী প্রেস সচিব ফয়েজ আহম্মদ এ বিষয়ে বলেন, আগামীতে ক্ষমতায় আসার সম্ভাবনা, অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে প্রভাব ও দলীয় সক্ষমতাকে বিবেচনা করেই প্রতিনিধি নির্ধারণ করা হয়েছে। তার মতে, অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশের রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে একটি ন্যূনতম ঐক্য তৈরি হয়েছে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের কেউ কেউ মনে করছেন, রাজনৈতিক নেতাদের অন্তর্ভুক্তি কেবল ঐক্যের বার্তা নয়, সরকারের তরফ থেকে রাজনৈতিক দায় বণ্টনেরও একটি ইঙ্গিত বহন করছে।