বাংলাদেশে অন্তর্বর্তী সরকারকে উৎখাতের ষড়যন্ত্রে জড়িত থাকার অভিযোগে গ্রেপ্তার হওয়া বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত মার্কিন নাগরিক এনায়েত করিম চৌধুরীর বিরুদ্ধে দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। সোমবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আতিকুর রহমান রিমান্ড শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।
তদন্ত কর্মকর্তা তার ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করেছিলেন, তবে আদালত দুই দিনের অনুমতি দেন।
এনায়েত করিম চৌধুরীর বিরুদ্ধে রমনা মডেল থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে দায়ের করা একটি মামলায় রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়েছে।
এর আগে গত শনিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে রাজধানীর রমনা এলাকায় সন্দেহজনকভাবে ঘোরাফেরা করার সময় তাকে আটক করে পুলিশ।
সে সময় তিনি একটি প্রাডো গাড়িতে করে এলাকায় ঘুরছিলেন এবং পুলিশ তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে কোনো সন্তোষজনক উত্তর দিতে পারেননি।
পরবর্তীতে তাকে প্রাথমিকভাবে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়। বিকেলে দণ্ডবিধির ৫৪ ধারায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেন রমনা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আজিজুল হাকিম।
সেদিন আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়ে রিমান্ড শুনানির দিন ঠিক করেন সোমবার।
পরবর্তীতে তার বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা দায়ের করে পুলিশ। ওই মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে নতুন করে রিমান্ড আবেদন করা হয়, যার শুনানি শেষে আদালত দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
এ ঘটনায় তদন্ত চলছে এবং পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে—জিজ্ঞাসাবাদে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যেতে পারে।
হাসপাতাল ছাড়লেন নুরুল হক নূর
ঢাকার কাকরাইলে সেনাবাহিনী ও পুলিশের লাঠিপেটায় আহত গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নূর চিকিৎসা শেষে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন।
হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান সাংবাদিকদের জানান, নূরের শারীরিক অবস্থার উন্নতি হওয়ায় মেডিকেল বোর্ডের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তাকে হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
সোমবার বিকেল পৌনে পাঁচটার দিকে তিনি হাসপাতাল ত্যাগ করে বাসার উদ্দেশ্যে রওনা হন।
গত ২৯ আগস্ট কাকরাইলে জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে সংঘর্ষের ঘটনায় আহত হন নূর। ওই সময় সেনাবাহিনী ও পুলিশের লাঠিচার্জে তিনি গুরুতর আহত হন এবং পরে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
চিকিৎসা শেষে বর্তমানে তার অবস্থার উন্নতি হয়েছে বলে জানানো হয়েছে হাসপাতাল সূত্রে।
