গ্রিনল্যান্ড নিয়ে আগ্রাসী বক্তব্য আরও জোরালো করছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সুইজারল্যান্ডের ডাভোসে অনুষ্ঠেয় বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামে (ডব্লিউইএফ) যোগ দিতে এ সপ্তাহে ইউরোপ সফরের আগে তিনি আবারও স্পষ্ট করে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিনল্যান্ড ‘অবশ্যই দরকার’। ২০২০ সালের পর এটিই হবে ডাভোসে তার প্রথম সরাসরি অংশগ্রহণ।
সোমবার রাতে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, ইউরোপীয় নেতাদের-যাদের অনেকেই গ্রিনল্যান্ড দখলের পরিকল্পনার বিরোধিতা করেছেন-তিনি কী বার্তা দেবেন? জবাবে ট্রাম্প বলেন,“দেখুন, আমাদের এটা চাই-ই। ওরা এটা রক্ষা করতে পারবে না।”
এদিকে নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে ট্রাম্প ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর কাছ থেকে পাওয়া বলে দাবি করা একটি বার্তাও শেয়ার করেছেন। ওই বার্তায় বলা হয়েছে, সুইজারল্যান্ডের সম্মেলন শেষে প্যারিসে বৈঠকের আগ্রহ প্রকাশ করেছেন ম্যাক্রোঁ। একই সঙ্গে ম্যাক্রোঁর বার্তায় গ্রিনল্যান্ড প্রসঙ্গে লেখা ছিল, “গ্রিনল্যান্ড নিয়ে আপনি যা করছেন, আমি তা বুঝতে পারছি না।”
ডাভোসের বাইরে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচিও রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের স্পিকার মাইক জনসন—যিনি ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ মিত্র এবং ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের পর প্রেসিডেন্সির ক্ষমতা কাঠামোয় তৃতীয়—আজ সকাল ৯টা ৩০ মিনিট (জিএমটি) নাগাদ যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্টে ভাষণ দেওয়ার কথা রয়েছে।
ডাভোসে বিশ্বনেতা ও শীর্ষ নির্বাহীদের সমাগমকে ঘিরে ভেতরে ও বাইরে ঘটে যাওয়া সব গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা এবং মাইক জনসনের ভাষণের উল্লেখযোগ্য অংশ আমরা তুলে ধরব।
