অস্ট্রেলিয়ার বন্ডি বিচে গুলির ঘটনায় নিহত বেড়ে ১৬

Media

অস্ট্রেলিয়ার সিডনির বিখ্যাত বন্ডি বিচে একটি ইহুদি ধর্মীয় অনুষ্ঠানে বাবা-ছেলের হামলায় অন্তত ১৬ জন নিহত হয়েছেন বলে পুলিশ জানিয়েছে। প্রায় ৩০ বছরের মধ্যে দেশটিতে সবচেয়ে ভয়াবহ গণগুলির ঘটনায় নিহতদের শোক জানাতে শুরু করেছে অস্ট্রেলিয়া। এ ঘটনায় সোমবার আরও কঠোর অস্ত্র আইন প্রণয়নের অঙ্গীকার করেছে দেশটির সরকার।

এই ঘটনার পর বিশ্বের অন্যতম কঠোর অস্ত্র আইন থাকা সত্ত্বেও অস্ট্রেলিয়ার বিদ্যমান আইনগুলো সংস্কারের প্রয়োজন আছে কি না-সে প্রশ্নও উঠেছে। পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্তদের মধ্যে বয়স্ক ব্যক্তি ২০১৫ সাল থেকে বৈধ আগ্নেয়াস্ত্র লাইসেন্সধারী ছিলেন এবং তার নামে ছয়টি নিবন্ধিত অস্ত্র ছিল।

প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি আলবানিজ জানান, তার মন্ত্রিসভা অস্ত্র আইন আরও শক্তিশালী করার বিষয়ে একমত হয়েছে এবং একটি জাতীয় আগ্নেয়াস্ত্র নিবন্ধন ব্যবস্থা চালুর উদ্যোগ নেওয়া হবে। এর মাধ্যমে লাইসেন্সধারীরা কতটি অস্ত্র রাখতে পারবেন এবং লাইসেন্সের মেয়াদ কতদিন হবে-এসব বিষয় আরও কড়াভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হবে।

মন্ত্রিসভার বৈঠকের আগে সাংবাদিকদের আলবানিজ বলেন, “মানুষের পরিস্থিতি বদলাতে পারে। সময়ের সঙ্গে কেউ চরমপন্থার দিকে ঝুঁকতে পারে। তাই লাইসেন্স আজীবনের জন্য হওয়া উচিত নয়।”

পুলিশের তথ্যমতে, দুই হামলাকারীর মধ্যে ৫০ বছর বয়সী বাবা ঘটনাস্থলেই নিহত হন, ফলে মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ১৬ জনে। তার ২৪ বছর বয়সী ছেলে গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

হামলার পর মোট ৪০ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তাদের মধ্যে দুইজন পুলিশ কর্মকর্তা গুরুতর হলেও স্থিতিশীল অবস্থায় আছেন। নিহত ও আহতদের বয়স ছিল ১০ থেকে ৮৭ বছরের মধ্যে।